1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

পাইকারিতে বাড়তি মূল্যের প্রভাব খুচরা চালের বাজারে

  • প্রকাশ: শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৭৪ বার দেখা হয়েছে

সরকারি হিসাবেই গত এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালের মূল্য বেড়েছে ৪ টাকা। গত ৬ নভেম্বর মাসে যে চাল (মোটা চাল) কেজি প্রতি ৩০ টাকা বিক্রি হয়েছে, সেই চাল ডিসেম্বরের ৬ তারিখে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকা দরে।

চালের মূল্য বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাঈম মিয়া বলেন, ‘প্রতি বছরই এই সময় চালের মূল্য একটু বাড়ে। মিনিকেট চালের মূল্য কিছুটা বেড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কিছুদিনের মধ্যেই নতুন চাল বাজার ঢুকবে। নতুন চাল আসার আগ মুহূর্তে বাজার খানিকটা চড়া হয়। তবে, বাজারে চালের কোনও সংকট নেই। কাজেই এখন একটু বাড়লে অচিরেই আবার কমা শুরু হবে।’

বিক্রেতারা বলছেন, চিকন চালের পাশাপাশি মোটা চালের মূল্যও বেড়েছে। পাইকারি বাজারে চালের মূল্য বাড়ানোর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশ অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্য বলছে, গত এক মাসে সব ধরনের চালের মূল্য বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মাঝারি ধরনের চালের মূল্য। গত এক মাসে এই চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত ৬ নভেম্বর মাঝারি ধরনের চালের প্রতি কেজির মূল্য ছিলো ৪২ থেকে ৪৮ টাকা। আর এই মাসে অর্থাৎ শুক্রবার এই চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬ থেকে ৫২ টাকা। অর্থাৎ এক মাসে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা।

চালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। রাজধানীর মুগদা এলাকার বাসিন্দা রোকন মাহমুদ বলেন, ‘চালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের নানা ধরনের বিপদ মোকাবেলা করতে হয়। পেঁয়াজের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় পর থেকে আমরা পেঁয়াজ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। এখন চালের মূল্যও বেড়ে যাচ্ছে। তাহলে ভাতও কম খেতে হবে।’

তবে চাল নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সেচ ভবনে কৃষকদের বাজারজাত করা সবজি হাটের ‘কৃষকের বাজার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল রয়েছে। চালের বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।’ তিনি বলেন, ‘চালের মূল্য মোটেই বাড়ছে না, সরু চালের মূল্য কিছুটা বেড়েছে, তবে যেটা বেড়েছে সেটা গতবারের থেকে অনেক কম বেড়েছে। যেটা কম ছিলো সেটা বেড়েছে।’

যদিও টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের চালের মূল্য ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। গত এক মাসে গরিব খেটে খাওয়া মানুষের মোটা চালের মূল্য বেড়েছে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ গত ৬ নভেম্বর প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। আর আজ ৬ ডিসেম্বর সেই চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকা থেকে ৪০ টাকা।

এদিকে, টিসিবির হিসাব অনুযায়ী, এক মাসে পাইজাম ও লতা (উত্তম মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। পাইজাম ও লতা (সাধারণ মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। নাজির ও মিনিকেট (উত্তম মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। নাজির ও মিনিকেট (সাধারণ মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। সরু চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর মাঝারি মানের চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। জিয়ারুল হক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury