1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

নাইম শেখের একার লড়াই বিফলে

  • প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে

সৌম্য সরকার ফর্মে থাকলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তামিম ইকবালের পার্টনার নিয়ে চিন্তার কিছু ছিল না। কিন্তু সৌম্যর ধারাবাহিকতা খুব কম। ওয়ানডেতে চলনসই হলেও টি-টোয়েন্টি‘তে সৌম্যর ধারাবাহিকতা এতটাই কম যে, বিকল্প খোঁজা ছাড়া উপায় নেই। তাই লিটন দাসের শরণাপন্ন হওয়া। কিন্তু লিটন দাসের ব্যাটেও ধারাবাহিকতা কম। তাই এবার ভারতের সাথে তামিম ইকবাল না থাকায় তরুণ মোহাম্মদ নাইমকে (নাইম শেখ নামেই বেশি পরিচিত) বেছে নিয়েছিলেন নির্বচকরা। ঘরোয়া ক্রিকেটে মানে গত বিপিএলেই প্রথম ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে নজর কেড়েছিলেন নাইম। লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জের পক্ষে গত প্রিমিয়ার লিগেও রান করেছেন ধারাবাহিকভাবে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারবেন কি না, ভারতের সাথে ভারতের মাটিতে কতটা নিজেকে মেলে ধরতে পারবেন নাইম, সে সংশয় ছিলই। কিন্তু সবাইকে অবাক করে ২০ বছরের তরুণ নাইম শেখ প্রথম আবির্ভাবেই এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভারতীয় বোলিং লাইনআপের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে একটি ‘বিগ ফিফটি’সহ (২৮ বলে ২৬, ৩১ বলে ৩৬ আর ৪৮ বলে ৮১) মোট ১৪৩ রান করেন নাইম। আন্তর্জাতিক অভিষেকে আলোয় চলে আসা সেই নাইম এবারের বিপিএলে কি করেন, সেটাই ছিল দেখার বিষয়। কিন্তু এবার বিপিএলের শুরুটা ভাল হয়নি বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের। গত পরশু (বৃহস্পতিবার) কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নাইম পারেননি, তার দল রংপুর রেঞ্জার্সও দাঁড়াতে পারেনি। পুরো দল যখন ৬৮ রানে অলআউট, নাইমের একার পক্ষে আর কি করার থাকতে পারে? তবে ওই ম্যাচেও বাঁ-হাতি এই তরুণ লড়তে চেয়েছিলেন, ২৭ বলে এক বাউন্ডারিতে করেন ১৭ রান। আজ (শনিবার) দ্বিতীয় খেলায়ও জেতেনি নাইম শেখের দল রংপুর রেঞ্জার্স। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে হেরেছে ৪ উইকেটে। তবে এ খেলায় ঠিকই জ্বলে উঠেছে নাইমের ব্যাট। খেলেছেন ৫৪ বলে ৭৮ রানের লম্বা চওড়া ইনিংস। তাতে দল না জিতলেও ম্যাচের সবচেয়ে দীর্ঘ ইনিংস ছিল এটিই। শুরু থেকে স্বচ্ছন্দে খেলা নাইম পঞ্চাশে পা রাখেন প্রায় ২০০ স্ট্রাইকরেটে ২৬ বলে। ২৬ বলে ঠিক ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৫২ রান করার পথে ৪২ রান (চারটি বাউন্ডারি আর তিন ছক্কা) করেন শুধু ছক্কা ও চার দিয়ে। এমন উড়ন্ত সূচনা কাজে লাগিয়ে অন্য প্রান্তে কেউ সাপোর্টটা দিলে অবধারিতভাবেই রংপুরের স্কোরবোর্ড হতো মোটাতাজা। কিন্তু অপর প্রান্তে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে না পারায় পরে স্লথ হয়ে যার তার ব্যাট। পঞ্চাশের পরের ২৮ রান আসে ২৮ বলে। এবং তাতে একটি বাউন্ডারিও ছিলনা। তারপরও দুর্দান্ত এই ইনিংসের সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কারটা ঠিকই হাতে ওঠেছে নাইম শেখের।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury