1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন

চাইলেই যে কেউ আর নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না

  • প্রকাশ: রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৭ বার দেখা হয়েছে

নির্বাচন সামনে রেখে গঠনতন্ত্রে দুটি বড় পরিবর্তন আনছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী বছর এপ্রিলে শেষ হচ্ছে বাফুফের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ। তারপর নির্বাচন। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এবার ভোটের লড়াই বেশি জমজমাট হওয়ার আভাস মিলছে। কাজী মো. সালাউদ্দিনও চতুর্থবারের মতো সভাপতি পদে নির্বাচন করতে কোমড় বেঁধে নেমেছেন। তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়ে দুই বছর ধরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান তরফদার মো. রুহুল আমিন। লড়াইটটা বেশ জমবে এবার। ভোটের চার মাস বাকি থাকতে বাফুফে আনতে যাচ্ছে গঠনতন্ত্রে বড় দুটি পরিবর্তন। দুটি পরিবর্তনই ভোটারদের নিয়ে। আগামী নির্বাচনে কারা ভোট দিতে পারবেন আর কারা নির্বাচন করতে পারবেন, তা ঠিক করতে বাফুফে আয়োজন করতে যাচ্ছে এই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহেই গঠনতন্ত্র সংশোধনী এজেন্ডায় হবে এই ইজিএম। কি সেই পরিবর্তন? সর্বশেষ দুটি নির্বাচনে দেখা গেছে, যে কেউ মনোনয়নপত্র কিনে দাঁড়িয়ে গেছেন ভোটের লড়াইয়ে। ভোটে দাঁড়াতে যোগ্যতা বলতে বাংলাদেশের নাগরিকত্বই যথেষ্ট। কিন্তু বাফুফে ফিরছে তাদের পুরোনো নিয়মে, যেখানে তিনিই নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন, যিনি বাফুফের অধীনস্থ সদস্য ক্লাব বা সংস্থাগুলো থেকে প্রতিনিধি (কাউন্সিলর) হয়ে আসবেন। ২০০৮ সালে এ নিয়মেই হয়েছিল বাফুফের নির্বাচন। পরের দুইবার ২০১২ ও ২০১৬ সালে পরিবর্তন আনা হয় বাফুফে গঠনতন্ত্রে। তখন যে কেউ ভোটে দাঁড়াতে পেরেছেন। এই দুই বছর আবার ভোটার হতে পারেননি বাফুফের নির্বাহী কমিটির কেউ। তাদের মধ্যে যারা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তারা ভোট দিতেও পারেননি। অর্থাৎ সর্বশেষ দুটি নির্বাচন এজিএম-এ ছিল দুই ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব। এক. ভোটার নন, কিন্তু ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। তারা ভোট দিতে পারেননি। দুই. কোনো সংস্থার প্রতিনিধি নন, অথচ তিনি ভোটের এজিএম-এ অংশ নিয়েছেন। এই দুই পক্ষের প্রার্থীরা অন্যদের কাছে ভোট চেয়েছেন। কিন্তু নিজেদের ভোটাধিকার ছিল না। নির্বাচন করতে হলে ভোটার (কাউন্সিলর) হতেই হবে-এই সংশোধনী আনলে তুলে দিতে হবে ‘কার্যনির্বাহী কমিটির কেউ ভোটার হতে পারবেন না’ সেই ধারাও। অর্থাৎ বাফুফে কার্যনির্বাহী কমিটির যারা আগামী নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে দাঁড়াতে চান তাদের কোথাও না কোথাও থেকে কাউন্সিলর হয়ে আসতে হবে। আজ (শনিবার) ইজিএম আয়োজন নিয়ে জরুরী সভায় বসেছিল বাফুফে। কাজী মো. সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই জরুরী সভায় আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই তাদের অধীনস্থ সংস্থাগুলোকে চিঠি দিয়ে ইজিএম-এর তারিখ ও তাদের প্রতিনিধির নাম প্রেরণের জন্য চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হঠাৎ কেন এই গঠনতন্ত্র সংশোধনের উদ্যোগ? ‘আসলে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকেই এমন প্রস্তাবনা এসেছে। এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথাও হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যাও নেই। তাই এটাকে পরিস্কার করার জন্যই এমন উদ্যোগ। ইজিএম এই প্রস্তাব অনুমোদন করলে আগামী নির্বাচনে ভোটে দাঁড়াতে হলে তাকে কাউন্সিলর হতে হবে’-বলেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ। সর্বশেষ দুটি নির্বাচনে ভোটে দাঁড়ানো উম্মুক্ত ছিল বিধায় এমন কিছু মানুষকে নির্বাচনী ময়দানে দেখা গেছে যাদের ফুটবলের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততাই ছিল না। কিছু বিষয় ছিল হাস্যকর। যে যার মতো করে ভোটের লড়াইয়ে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী পরিবেশটাকে অন্যরকম করে ফেলেছিলেন। গঠনতন্ত্র সংশোধন হলে বাফুফের সদস্য সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরাই পারবেন ভোটের ময়দানে নামতে। দেখা যাক, কি সিদ্ধান্ত নেয় বাফুফে বিশেষ সাধারণ সভায়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury