1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

তীব্র শীতে কাঁপছে তিস্তাপারের মানুষ

  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

লালমনিরহাট সংবাদদাতা : ‘গত দুইদিন থাকি যে শীত বাহে ঘরত (ঘর) থাকি বেরের পাংনা (পারি না)। হামার তিস্তা পারত খুব ঠান্ডা। দুই দিন থাকি কাজ নাই ছোয়াপোয়া (ছেলে-মেয়ে) নিয়া নাখেয়া আচুং। হামাক কায় দেখে।’ বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন তীব্র শীতে জুবুথুবু লালমনিরহাটের তিস্তা নদী পারের বাসিন্দা জোনাব আলী (৪৫)। winter পৌষের শুরুতেই উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে মানুষ। গত তিন দিনে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। মাঝরাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া। বৃষ্টির মতো শিশির ঝড়ছে। এতে তিস্তার চরাঞ্চলের লোকজন কাজে বের হতে না পেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেনি। ফলে প্রচণ্ড ঠান্ডায় নাকাল হয়ে পড়েছে তিস্তা পারের মানুষ। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগে পড়েছেন নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল এবং নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। শিশু, বয়স্ক ও এজমা রোগীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। পাশাপাশি গবাদিপশুও শীতে কষ্ট পাচ্ছে। সড়কে গাড়িগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। winter তিস্তাপারের বেশির ভাগ মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতা বাড়ায় গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন শীতার্তরা। তারা বেশি ভিড় করছেন ফুটপাতের পুরোনো কাপড়ের দোকানে। নিজেদের সাধ্যমত শীতের কাপড় কিনছেন শীতার্তরা। গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী গ্রামের খাদেম আলী জানান, গত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তিস্তার চর এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। এখন পরিবারগুলো শীতে কাঁপছে। তাদের জন্য শীতবস্ত্র খুবই প্রয়োজন। এদিকে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রমজান আলী জানান, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গত দুই দিনের চেয়ে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। winter লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, শীতার্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ শীতবস্ত্র রয়েছে। পাঁচটি উপজেলার নির্বাহী অফিসাররা শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ শুরু করেছেন। রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বর্তমানে লালমনিরহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury