1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

ভোট ও সম্মেলনে বছর পার আ.লীগের

  • প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২২৫ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : ক্ষমতাধর হিসেবে আওয়ামী লীগের ঝুঁলিতে আরো একটি বছর যোগ হয়েছে। ২০১৮ সালের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে অধিক আসন পেয়ে তৃতীয়বাবের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনটি ২০১৮ সালে হলেও তার শপথ, সরকার গঠন, মন্ত্রিসভা গঠনও হয়েছে চলতি বছরেই। নতুন সরকার গঠন ছাড়াও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, ইউপি নির্বাচনসহ বেশ কয়েকটি পৌরসভা নির্বাচনেও সফল হয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তবে চলতি বছরে দলটির চ্যালেঞ্জ ছিল তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনসহ নিজ দলের জাতীয় সম্মেলন শেষ করা। সেই কাজটিও সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করেছে আওয়ামী লীগ। 

সূত্রেমতে, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২০টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ৫টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ২টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২টি, গণফোরাম ২টি, জাতীয় পার্টি-জেপি ১টি এবং তরিকত ফেডারেশন ১টি আসনে বিজয়ী হয়।

এ ছাড়া নির্বাচনে ৩ জন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়। ৩ জানুয়ারি শপথ অনুষ্ঠান হয়। শেরে বাংলা নগরে সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথ কক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী একাদশ সংসদে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তিনি আগে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।

পরে নির্বাচিত অন্যান্য সংসদ সদস্যদের শপথপাঠ করান। শপথ শেষে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠক করে নিজেদের সংসদ নেতা নির্বাচন করবেন। এর আগে ১ জানুয়ারি রাতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে। ৭ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার শপথ পড়ানো হয়। জাতীয় নির্বাচনের রেস না কাটতেই শুরু হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আমেজ। পাঁচ ধাপে উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপের নির্বাচন ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। আর পঞ্চম ধাপের নির্বাচন ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে পর্যাক্রমে আরো তিন ধাপের নির্বাচন সফল করে নির্বাচন কমিশন। সেই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেন দলীয় প্রার্থীরা। উপজেলা নির্বাচনের পর অনেক জায়গা পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই বছরটি যেন নির্বাচনময় ছিল।

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অনেক বছর ধরেই নিয়মিতভাবে কেন্দ্রের সম্মেলন করতে পারিনি। নেতাদের ইচ্ছার অভাবেই সম্মেলন করা হয়নি বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ থেকে তাদের মুক্তি দিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েই কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলন করার জন্য তাগিদ দেন। শেখ হাসিনার তাগিদেই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষক লীগ গত ৬ নভেম্বর, শ্রমিক লীগ ৯ নভেম্বর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ১৬ নভেম্বর ও ২৩ নভম্বের আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনগুলোর মধ্যে নতুন সৃষ্টি করা হয়। তার মধ্যে ১১ নভেম্বর মহানগর দক্ষিণ ও ১২ নভেম্বর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন করা হয়। এখনো কোনো সংগঠন পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে পারেনি।

এর মধ্যে গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর পুরনো কমিটিকে বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নবমবারের মতো সভাপতি হয়েছেন। তার সাথে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন। এ ছাড়া ৪০ জনের নাম বিভিন্ন পদে ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন দলে মধ্যে চালানো হতে হয়েছে শুদ্ধি অভিযান। এই অভিযানে সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযানের আওয়ামী লীগের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছেন বলে নেকে মনে করছেন। দুর্নীতি ও সন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সরকার।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury