1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

২০১৯ অর্থবছরে ব্যাংক জালিয়াতির মোট পরিমাণ ৭৪ শতাংশ

  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২২১ বার দেখা হয়েছে

ফুলকি ডেস্ক : ‘ট্রেন্ডস অ্যান্ড প্রগ্রেস অব ব্যাংকিং ইন ইন্ডিয়া ২০১৮-১৯’ প্রতিবেদনে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) বলেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংক জালিয়াতির সংখ্যা বেড়েছে ১৫ শতাংশ এবং আর্থিক পরিমাণ বেড়েছে ৭৪ শতাংশ। ২০১৯ অর্থবছরে জালিয়াতির সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৮০১টি, যা ২০১৮ অর্থবছরে ছিল ৫ হাজার ৯১৬টি। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জালিয়াতি হয়েছে ৪১ হাজার ১৬৭ কোটি রুপি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৭১ হাজার ৫৪৩ কোটি রুপি। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

তবে গত অর্থবছরে ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। রিজার্ভ ব্যাংক বলছে, খেলাপি ঋণ চিহ্নিত করে তা আটকাতে তারা যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, এটি কাজে দিয়েছে। তবে বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ঝুঁকি চিহ্নিত করার ব্যবস্থার অভাবে জালিয়াতি বেড়েছে জানিয়েছে আরবিআই। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট জালিয়াতির ৫৫ শতাংশই ঘটেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। যে পরিমাণ অর্থ জালিয়াতি হয়েছে, তার ৯০ শতাংশের সঙ্গেই জড়িত তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর যথাযথ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ঘাটতি এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় সিস্টেম ও কর্মীর অদক্ষতাকেই তুলে ধরছে।

এদিকে একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারির জেরে সমবায় ব্যাংকের মোট সম্পদ ক্রমে কমছে বলেও জানানো হয়েছে রিপোর্টে। ২০১৮-১৯ সালে ওইসব ব্যাংকের মোট সম্পদ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট সম্পদের ১০ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। ২০০৪-০৫ সালে এটি ছিল ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জালিয়াতির ঘটনা বিশেষ করে বড়গুলো নিয়ে তথ্যের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। তাই ব্যাংকগুলো যেসব জালিয়াতির ঘটনা জানিয়েছে এবং ২০১৮-১৯ বছরে যে পরিমাণ বেড়েছে, তারিখের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করলে উভয় সংখ্যাই কমে আসতে পারে।

গত অর্থবছরে ঋণ নিয়ে প্রতারণা করার সংখ্যা ও পরিমাণ উভয়ই বেড়েছে। অ্যাডভান্স নেয়ার পরিমাণ ২০১৮ অর্থবছরের ২২ হাজার ৫৫৮ কোটি রুপি থেকে বেড়ে ২০১৯ অর্থবছরে হয়েছে ৬৪ দশমিক ৫৪৮ কোটি রুপি।

আরবিআই বলছে, কার্ড-ইন্টারনেট, অফ ব্যালান্স শিট ও বৈদেশিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রতারণার সংখ্যা ও পরিমাণ আগের অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে কমেছে।

রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোয় জালিয়াতি রোধে সঠিক সময় শনাক্তকরণ, প্রতিবেদন প্রদান ও তদন্ত করা নিয়ে একটি ফ্রেমওয়ার্ক ইস্যু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এ ফ্রেমওয়ার্কে ৫০ কোটি রুপির উপরের মন্দ ঋণকে সম্ভাব্য জালিয়াতির ঘটনা হিসেবে গণ্য করতে এবং পর্যালোচনা করে দেখতে বলা হয়েছে। এ কারণেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জালিয়াতির সংখ্যা বেড়েছে।

অন্যদিকে ওই প্রতিবেদনে রিজার্ভ ব্যাংক বলছে, ২০১৮ সালের মার্চে সব বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলে এনপিএ ছিল মোট ঋণের ১১ দশমিক ২ শতাংশ। ২০১৯ সালের মার্চে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১ শতাংশে।

টানা সাত বছর বাড়ার পর এবার এনপিএ কমল। কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রহণ করা নীতি ও ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাংকরাপসি কোড (আইবিসি) এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। আরবিআই বলছে, এ তথ্য আর্থিক খাত ও মন্দ ঋণ নিয়ে বিপাকে থাকা নীতিনির্ধারকদের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।

আরবিআই বলছে, ভারতের ব্যাংকগুলো মন্দ ঋণ পরিস্থিতির ওপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছে। তবে মন্দ ঋণ আরো কতটা কমবে এবং ঋণ প্রবৃদ্ধি কতটা বাড়বে তা নির্ভর করবে চলমান শ্লথগতি থেকে ভারতের অর্থনীতি কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে তার ওপর।

রিজার্ভ ব্যাংক আরো বলেছে, ব্যাংকিং খাতে সুদিন আসতে যাচ্ছে। কয়েকটি ব্যাংকের একীভূতকরণ হলে দেশে একাধিক শক্তিশালী ব্যাংক তৈরি হবে। এতে বাড়বে তাদের আর্থিক ক্ষমতা ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, মজবুত হবে মূলধনের ভিত; যার নিট ফল হিসেবে দেশের একাধিক ব্যাংক আন্তর্জাতিক ব্যাংকের মর্যাদা পেতে পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury