1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

প্রস্তুতি প্রায় শেষ, উদ্বোধন ১ জানুয়ারি

  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২২৫ বার দেখা হয়েছে

দর্শনার্থীদের স্বস্তি দিতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণে এবার অন্যান্য বছরের চাইতে বেশি ফাঁকা জায়গা রাখছে মেলা কর্তৃপক্ষ। আর এর অংশ হিসেবে গত বছরের চাইতে ২০০-র মতো স্টল ও প্যাভিলিয়ন কম বসানো হচ্ছে।

বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি দেখতে আগারগাঁওয়ের মেলা প্রাঙ্গণে সরজমিন ঘুরে মিলেছে এমন তথ্য।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে মেলার মাঠে গিয়ে দেখা যায়, স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণের কাজ চলছে পুরোদমে।

স্টল ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণকর্মীরা জানান, উদ্বোধনের আগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দিনরাত কাজ করছেন তারা।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি বলছে, মেলার প্রস্তুতির ৮৫-৯০ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে পুরো কাজ।

১ জানুয়ারি ২০২০ (বুধবার) বসবে ঢাকা আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলার ২৫তম আসর। ওইদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্ধারিত সময়ে মেলা শুরু করতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এ লক্ষ্যে দিন-রাত চলছে বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন তৈরির কাজ।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবির তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের ৪৫০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকছে। এ সংখ্যা গেলো বছরের তুলনায় দুই শতাধিক কম।

বাণিজ্য মেলা সদস্য সচিব আবদুর রউফ বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতির প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এবারকার মেলার সার্বিক আয়োজন আগের বছরের তুলনায় আরও ভাল হবে। এ বছর মেলায় দর্শণার্থীদের বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বসার ব্যবস্থা থাকবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীকে সামনে রেখে মেলায় বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নটি নতুন আঙ্গিকে নতুন ডিজাইনে নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপত্য অধিদফতরের নকশায় গণপূর্ত বিভাগ এটি নির্মাণ করছে।

এবারের মেলায় ভিন্ন আঙ্গিক আনার চেষ্টা করা হয়েছে। মেলার প্রধান ফটকেও আনা হয়েছে ব্যাপক পরিবর্তন। মেলার ভেতরে দর্শণার্থীদের জন্য খোলামেলা জায়গা রাখা হবে। মেলায় আসা মানুষেরা যেন পরিবার ও পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাঘুরি করতে পারেন। মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবনের আদলে ইকো পার্ক করা হবে। থাকবে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার (ডিজিটাল টাচ স্ক্রিন প্রযুক্তি), এর মাধ্যমে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন।

স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ব্রিটেন, ভারত,পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, হংকং, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র মেলায় অংশ নেবে।

ইপিবি জানায় , এবারও মেলায় দুটি মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক, একটি মেডিকেল সেন্টার ও ব্যাংকের পর্যাপ্ত এটিএম বুথ থাকবে।

পলিমার পণ্য, কসমেটিকস, হারবাল, প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী, ফার্নিচার, রেডিমেড গার্মেন্ট পণ্য, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি ও উপহার সামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক পণ্যের স্টলও থাকবে।

বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা রোধে থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি। থাকবে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সাদা পোশাকে মেলাপ্রাঙ্গণে টহল দেবেন।

মেলার কোনও সাপ্তাহিক ছুটি নেই। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। টিকিটের মূল্য পূর্ণ বয়স্ক ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury