1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৪ অপরাহ্ন

নয়া ইতিহাসে তামিম ইকবাল

  • প্রকাশ: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৫২ বার দেখা হয়েছে

আগের দিন ২২২ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন তামিম ইকবাল। তার সামনে ছিল ইতিহাসের হাতছানি। গতকাল শুভাগত হোমের বল মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে রচনা করেন ইতিহাস। ডেসিংরুমের সামনে সতীর্থরা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। মাঠে প্রতিপক্ষের ক্রিকেটাররাও একে একে ছুটে গেলেন তার দিকে। কেউ হাত মেলালেন কেউবা পিঠ চাপড়ে দিলেন। ছুটে গেলেন দেশের প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির মালিক রকিবুল হাসানও, অভিনন্দন জানালেন। তার দল ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল যখন ২ উইকেট হারিয়ে ৫৫৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করলো, তামিমের নামের পাশে তখন অপরাজিত ৩৩৪ রান। হ্যাঁ, দেশের সেরা ওপেনার নিজেকে নিয়ে গেলেন নতুন এক ইতিহাসে। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে তিনি উপহার দিলেন ১২ বছর পর আরো একটি ট্রিপল সেঞ্চুরি। এর আগে ২০০৭ এ জাতীয় ক্রিকেটে লীগে (এনসিএল) রকিবুল দেশের হয়ে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন। তামিম করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগে (বিসিএল)। তার ডাবল সেঞ্চুরির সময় ক্রিজে সঙ্গী ছিলেন মুমিনুল হক সৌরভ। আর গতকাল সঙ্গী ছিলেন চট্টগ্রামের আরেক ব্যাটসম্যাসন ইয়াসির আলী চৌধুরী। এমন দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে তার দলের প্রথম ইনিংসে লিড ৩৪২ রানের। জবাব দিতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন পিছিয়ে ২২৭ রানে। হাতে ৭ উইকেট।
মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে গতকাল সবার নজর ছিল তামিম ইকবালের দিকে। শেষ পর্যন্ত ৫৬০ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৪০৭ বল খেলে তিনশ’ স্পর্শ করেন তামিম। অন্যদিকে রকিবুলের ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে লেগেছিল ৬০০ বল ও ৬৪০ মিনিট। রকিবুলের ইনিংসে কোনো ছক্কার মার ছিল না। কিন্তু তামিম ছয় হাঁকিয়েছেন ৩টি। অন্যদিকে চার মাররার ক্ষেত্রেও রেকর্ড গড়েছেন তামিম ইকবাল। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ চারের রেকর্ডটি ছিল মালিক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। জাতীয় ক্রিকেট লীগে ২৮২ রানের ইনিংসের পথে ৩৭টি চার মেরেছিলেন সৈকত। আর তামিম তার ইনিংসে হাঁকিয়েছেন ৪২টি চার। মধ্যাহ্ন বিরতির আগের ওভারে তরুণ পেসার শহিদুলের বলে কাভারে চার মেরে এই রেকর্ড নিজের দখল করে নেন তামিম।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর থেকেই শুরু হয় তামিমের ট্রিপল সেঞ্চুরির আসল অপেক্ষা। মাঠে তেমন দর্শক না থাকলেও বিসিবি কর্মকর্তা, সংবাদকর্মীরা গ্যালারিতে ভিড় করে অপেক্ষায় আরেকটি কীর্তির সাক্ষী হতে। বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি কাউকে। ৩০০ রান পূর্ণ হতেই কাছে ফিল্ডিংয়ে থাকা রকিবুল ছুটে এসে তাকে অভিনন্দন জানান। এরপর রানের গতি বাড়িয়ে দেন তামিম। বাকি ৩৪ রান যোগ করতে হাঁকান ৩টি ছক্কা। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক নাসির হোসেন। ২০১৭-১৮’র জাতীয় লীগে রংপুরের বিপক্ষে ২৯৫ রানের ইনিংস খেলেন নাসির। এর আগে ২০১৩ সালে বিসিএলে মধ্যাঞ্চলের হয়ে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে বগুড়ায় ২৮৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মার্শাল আইয়ুব। ২০১৫ সালে জাতীয় লীগে বরিশালের হয়ে চট্টগ্রামের বিপক্ষে বিকেএসপিতে ২৮২ করেন সৈকত।
গতকাল তামিমের সঙ্গে ৬২ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির আলী। আগের ইনিংসে তিনি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন মুমিনুল (১১১)। মুমিনুলের সঙ্গে তামিম বাঁধেন ২৯৬ রানের জুটি। আর ইয়াসিরের সঙ্গে জুটিতে আসে ১৯৭ রান। আজ মধ্যাঞ্চলের ইনিংস হার এড়াতে প্রয়োজন ২২৭ রান। ৩ উইকেট হারানো দলটির হয়ে লড়াই করছে রকিবুল হাসান ও শহিদুল ইসলাম। এর আগে জবাব দিতে নেমে পাকিস্তান সফরের টেস্ট দলে থাকা সৌম্য সরকার আউট হন মাত্র ৪ রান করে। আরেক ওপেনার সাইফ হাসান করেন ৩৩ রান। এছড়াও ৫৪ রান করে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। তারাও আছেন টেস্ট দলে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury