1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

যেভাবে অর্থ সহায়তা পাবে ৫০ লাখ পরিবার

  • প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ১২৬ বার দেখা হয়েছে

করোনা ভাইরাসের কারণে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এককালীন ২৫০০ টাকা করে দেয়ার জন্য ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার এ অর্থ ছাড় করা হয়। সবাইকে টাকা দেয়া হবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে ১৭ লাখ পরিবারকে দেয়া হবে ডাক বিভাগের সেবা নগদের মাধ্যমে। ১৫ লাখ পরিবারকে দেবে বিকাশ। ১০ লাখ পরিবারকে দেবে রকেট এবং ৮ লাখ পরিবারকে দেবে শিউরক্যাশ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ই মে এ টাকা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

টাকা দেয়ার কার্যক্রম চলবে ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ৬২৭ কোটি এবং বাজেট-৩ শাখা  থেকে ৬৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উদ্বোধনের দিন থেকে পরের ৪ দিন ১০ লাখ করে মোট ৪০ লাখ পরিবারকে দেয়া হবে এ অর্থ। বাকি ১০ লাখ পরিবারও এর মধ্যেই পাবে। এসব টাকা সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে সেবা মাশুল বাবদ ছাড় করা হয়েছে আরো ৭ কোটি টাকা।
প্রতি হাজারে টাকা পাঠানোর সেবা মাশুল যা-ই থাকুক না কেন, এসব এমএফএসকে সরকার দেবে প্রতি হাজারে মাত্র ৬ টাকা। অর্থাৎ একটি পরিবারের কাছে আড়াই হাজার টাকা পৌঁছাতে সরকারকে বাড়তি ১৫ টাকা করে খরচ করতে হচ্ছে। এমএফএসগুলো ছাড় না দিলে টাকা পৌঁছানোর এ খরচ বেড়ে তিন গুণ হতো।
এ বিষয়ে নগদ জানায়, নগদের লেনদেনের খরচ হাজারে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। আমরা পাব ৬ টাকা। বাকি ৮ টাকা ৫০ পয়সা ভর্তুকি দিতে হবে আমাদের। কিন্তু নগদ সরকারের সব উদ্যোগের পাশে থাকবে।
এদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, আগামী বৃহস্পতিবার এই কার্যক্রম শুরু হবে। ৩৪ লাখ পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। তথ্যে ঘাটতি ও অসংগতি থাকায় ১৬ লাখের তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয় বলছে, ১৬ লাখের তালিকাও খুব তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। অনিয়ম ঠেকাতে এবার উপকারভোগীদের নামে করা ডিজিটাল কার্ডের ভিত্তিতে এই সহায়তা দেয়া হবে। এ জন্যই তালিকা করতে কিছু সময় লাগছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য, পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য, জনসংখ্যা, দারিদ্র্যের হার, সম্পদের প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে কোন জেলায় কত পরিবার ত্রাণ পাবে, সেই সংখ্যাটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সংখ্যার ভিত্তিতে উপকারভোগী পরিবার বাছাই করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, জামালপুর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলার প্রতিটিতে এক লাখ করে পরিবার এই সুবিধা পাবে। এ ছাড়া কুড়িগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ জেলার প্রতিটিতে ৯০ হাজার পরিবার এই সহায়তা পাবে। গাজীপুর, রাজশাহী ও রংপুর জেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার প্রতিটিতে ৮০ হাজার পরিবার এই সুবিধা পাবে। তালিকায় ৭৫ হাজার করে পরিবার আছে ফরিদপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নওগাঁ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, বাগেরহাট, যশোর, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায়। নোয়াখালী, কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলার একেকটিতে ৭৭ হাজার পরিবার এই সহায়তা পাবে। বাকি এলাকাগুলোতে ৪০ হাজার থেকে শুরু করে ৭২ হাজার পর্যন্ত পরিবার রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২৬শে মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। একই সঙ্গে সারা দেশে লকডাউন (অবরুদ্ধ) পরিস্থিতি শুরু হয়। ফলে লাখ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। এতে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন গরিব ও শ্রমজীবী মানুষ। এ জন্য এসব লোককে খাদ্যসহায়তা দিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা অব্যাহত আছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury