1. aponi955@gmail.com : Apon Islam : Apon Islam
  2. mdarifpress@gmail.com : Nure Alam Siddky Arif : Nure Alam Siddky Arif
  3. hasanchy52@gmail.com : hasanchy :
  4. sandhanitv@gmail.com : Kamrul Hasan : Kamrul Hasan
  5. glorius01716@gmail.com : Md Mizanur Rahman : Md Mizanur Rahman
  6. mrshasanchy@gmail.com : Riha Chy : Riha Chy
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবদুল হাই আর নেই

  • প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে

মোঃ মিজানুর রহমান  সন্ধানী টিভি                                                                                                                               বীর মুক্তি যোদ্ধা অধ্যাপক আবদুল হাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। বৃহস্পতিবার দিবাগত  রাত ১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।        তিনি  প্রেসিডেন্টের সহকারী একান্ত সচিব ছিলেন। প্রেসিডেন্ট
মো. আবদুল হামিদের বড় ছেলে ও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক জানান, তার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই-এর করোনা উপসর্গ দেখা দিলে গত ২রা জুলাই নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং পজেটিভ রিপোর্ট আসে। পরে গত ৫ই জুলাই তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। গত ১২ই জুলাই থেকে তাকে ভেনটিলেশনে রাখা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় তিনি মারা যান।
সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই-এর নামাজে জানাজা রোববার বিকাল ৩টায় নিজ হাতে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান মিঠামইনের মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি ১৯৫৩ সালে মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মরহুম হাজী তায়েব উদ্দিন-এর ৫ ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে আবদুল হাই ছিলেন পঞ্চম। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ এবং প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয়। সবার বড় আব্দুল গণি ও তৃতীয় আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন। প্রেসিডেন্টের একমাত্র ছোটবোন আছিয়া আলম বর্তমানে মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই-এর বড়। সবার ছোট মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হক নূরু।
একজন সহজ-সরল, পরোপকারী ও হাসিখুশী স্বভাবের মানুষ ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ২ মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার তিন সন্তানের মধ্যে দুই মেয়ে চিকিৎসক ও একমাত্র ছেলে প্রকৌশলী।
প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলে আবদুল হাই তার সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে যোগ দেন। আবদুল হামিদ জাতীয় সংসদের স্পিকার হলে তাকে আবারো সহকারী একান্ত সচিব করা হয়। পরে ২০১৩ সালে মো. আবদুল হামিদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইকে জাতীয় সংসদের উপ-পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সেখান থেকে অবসরে যাওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই প্রেসিডেন্টের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পান।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই মিঠামইন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, বিআরডিবি’র সভাপতি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘প্রবাহ’ এর সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ ও হাজী তায়েব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এলাকার উন্নয়নে তিনি বিরাট অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুতে নিজ জেলা কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
© All rights reserved © Sandhani TV
Theme Design by Hasan Chowdhury