বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় পর্যায়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যৌথভাবে প্রথম শাহাবউদ্দিন মাদবর কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় আশুলিয়াবাসী মানবিক যুবলীগের মানবিক কর্মী কবির হোসেন সরকার ভিপি নুরের নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে অভিশপ্ত আগস্ট নাটকের মঞ্চায়ন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন নির্বাচন ২০২১ শাহাবুদ্দিন আহমেদ ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত মঞ্জু দেওয়ান সাভারে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন পালন
ব্রেকিং নিউজ :
সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তিন ধরনের প্রতিবেদনে গরমিল পাওয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও পুলিশ সুপারসহ (এসপি) সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আসামির জামিনের শুনানি নিয়ে রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও কে এম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. শাহপরান চৌধুরী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

জিয়ার বীর উত্তম খেতাব প্রত্যাহার দাবির সাথে একমত নানক।

 

মোঃ মিজানুর রহমান

মুক্তিযোদ্ধা হলেও নানা অপরাধের অপরাধী হিসাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬সালে বিএনপি কর্তৃক একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার জামুকার ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। জামুকার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিএনপি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিল করা হলে সরকার পতনের আন্দোলনের কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক জামুকার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির প্রতি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, জামুকা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের কেন্দ্রীয় সংগঠন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, জিয়াউর রহমানের ওই খেতাব প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। অমনি বিএনপির গায়ে লেগে গেছে? কেন প্রত্যাহার করে নিতে চায়?
জিয়াউর রহমানকে কি ধোঁয়া তুলসিপাতা বানাতে চান? এই জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিল করার কতকগুলো যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে বলে দাবি করেন নানক।
তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবের হত্যাকান্ডের সঙ্গে খুনী মোশতাক শাহরিয়ার নূরদের সঙ্গে এই জিয়াউর রহমানও জড়িত। এই জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছিল। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকিরি দিয়েছে, পদোন্নতি দিয়েছে সেই কারণেই জিয়াউর রহমানের খেতাব প্রত্যাহার করা উচিত।
জিয়াউর রহমানের উপাধি বাতিলযোগ্য এই কারণেই দাবি করে নানক আরও বলেন, জিয়াউর রহমান এই দেশে গোলাম আযম, শাহ আজিজসহ স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে পুর্নবাসিত করেছিল। জিয়াউর রহমানের খেতাব প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত, এই কারণেই। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে অর্জিত আমাদের জননী-জন্মভ’মিকে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করে দেশকে দ্বিধাবিভক্ত করার ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই কারণে বাতিল হওয়া উচিত।
খেতাব বাতিলের বিএনপির বক্তব্যের জবাবে নানক আরও বলেন, এখন তারা বলছে, জিয়া মুক্তিযোদ্ধা ছিল! এখন কয় কি বঙ্গবন্ধুর দেয়া খেতাব, সেই খেতাব কেন বাতিল হবে? আমি বলি, বঙ্গবন্ধুর দেয়া খেতাব, বঙ্গবন্ধুকে কেন হত্যা করবে জিয়াউর রহমান? কেন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকবে এই প্রশ্নের উত্তর জবাব দেন?
জাতির পিতার খুনীদের যাতে বিচার এই বাংলাদেশে না হয়, তার জন্য জিয়াইর রহমান বাংলাদেশে কেন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল? বিএনপির উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন নানক। তিনি বলেন, এই কারণে, এতো অপরাধের অপরাধের কারণেই জিয়াউর রহমানের তার খেতাব যেমনি বঙ্গবন্ধু দিয়েছিল, তেমনিভাবে তার এতো অপরাধের কারণে তার খেতাব প্রত্যাহার করা হবেই হবে।
বিএনপিকে নিজেদের চেহারা নিজেরা আয়নায় দেখার আহ্বান জানিয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল আলীম, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী; এদেরকে মন্ত্রী বানিয়েছে খালেদা জিয়া, এরশাদ জিয়াউর রহমানরা। এই দেশকে তারা ধ্বংস করে দিয়েছিল। এই দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করে দিয়েছিল, কাজেই তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। ওরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, ওরা ষড়যন্ত্রকারী। ওদের ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মনি,ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল আমিন রুহুল এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ কামাল, মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, দফতর সম্পাদক রিয়াজুদ্দিন রিয়াজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় Freelancer Zone