সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সরকারি বই সাড়ে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাইবান্ধা সদর উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন শিশু ধর্ষণের অপরাধে কিশোর গ্রেফতার এশিয়ান টেলিভিশন দর্শকের মনের খোরাক যোগায়- ওসি মাসুদুর আমার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যাপিঠের উদ্যোগে শীতার্ত দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে হোটেল ব‍্যবসায়ী পিতার হত্যাকারী পুত্র নতুন রূপে নতুন সাজ-সজ্জার কাজ চলছে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাভার থানার এস.আই রশিদ মিঞার বিদায় সংবর্ধনা সাভারে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎপরতায় ১১ ইউপির ৯ টিতেই নৌকার জয় অভিনয়ে নিয়মিত হচ্ছেন তামিম
ব্রেকিং নিউজ :
সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তিন ধরনের প্রতিবেদনে গরমিল পাওয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও পুলিশ সুপারসহ (এসপি) সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আসামির জামিনের শুনানি নিয়ে রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও কে এম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. শাহপরান চৌধুরী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

আশুলিয়ায় সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিখোঁজ অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের ৫ টুকরা লাশ উদ্ধার

শরীফ উল হক;
৯ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার রুপায়ন স্বপ্ন নিবাস আবাসন এলাকার সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের আঙ্গিনা থেকে পুতে রাখা অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের লাশের ৫ টুকরা উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণ (৩৬) কে তার দুই শিক্ষক বন্ধু মোতালেব ও রবিউল ক্লাসরুমে হত্যার পর ৬ টুকরো করে স্কুলের উঠানে পুতে রাখে।

এঘটনায় নিহতের দুই শিক্ষক বন্ধু মোতালেব ও রবিউলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। স্কুল থেকে লাশের ৫ টি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে আর মাথাটি উত্তরার আশকোনার একটি ডোবা থেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার নরসিংহপুর সংলগ্ন বেরন এলাকা থেকেই নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ।

নিখোঁজ মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শর্ত বর্মনের ছেলে। তিনি অনেক মেধাবী ও সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই (মঙ্গলবার) আশুলিয়ার জামগড়া সংলগ্ন বেরন এলাকার রূপায়ন মাঠের নিজ বাসা স্বপ্ন নিবাস থেকেই নিখোঁজ হন মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। এর পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ ৭ দিন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে অবশেষে ২২ জুলাই আশুলিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মিন্টুর ছোট ভাই দীপক চন্দ্র বর্মণ। পরে ৯ আগস্ট তদন্ত করে তিনজনকে গ্রেফতার করে লাশের লোকেশন শনাক্ত করে র‌্যাব। পরে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে অভিযান পরিচালনা করে লাশের ৫ টুকরো উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ভাই দীপক চন্দ্র বর্মন জানান, তার ভাই মিন্টু চন্দ্র বর্মণ দুই বন্ধু মিলে প্রায় দুই বছর আগে সাভারে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। যার নাম করন করাহয় “সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ” যার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন মিন্টু। কিন্তু হঠাৎ করে ভাই উধাও হয়ে যায়। আজ শুনি ভাইয়ের বন্ধুরাই তাকে হত্যা করেছে। আমি উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।

র‌্যাব সদর দফতরের মিডিয়া উইয়ং এর কমান্ডার মঈন খান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রথমে ৭ জুলাই মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে ১৩ জুলাই স্কুলটিতে কোচিং পরবর্তী সময়ে ১০৬ নং কক্ষে মিন্টুকে ডেকে নিয়ে যায় বাদশা ও মোতালেব। এসময় মিন্টুর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে বাদশা আঘাত করে। পরে ৬ টুকরো করে মাথা রাজধানীর উত্তরার আশকোনার একটি ডোবায় ফেলে দেয়। বাকি ৫ টুকরো স্কুলের আঙ্গিনায় পুতে রাখে তারা।

তিনি আরও বলেন, মিন্টু বর্মণের সুনাম ও খুব ভাল শিক্ষক হওয়ায় পেশাগত হিংসা শুরু করেন হত্যাকারীরা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নিয়েও তাদের মধ্যে মনমালিন্য ছিল। এর জের ধরেই তাকে হত্যা করে তারা। এর পর থেকেই রবিউল পলাতক ছিল। গত মধ্যরাতে রবিউলকে আব্দুল্লাপুর থেকে, তার ভাগিনা বাদশাকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে আর মোতালেব কে আশকোনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিউলের দেওয়া তথ্যমতে স্কুলের আঙ্গিনা থেকে মিন্টুর শরীরের ৫ টি খন্ডিতাংশ উদ্ধার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

প্রযুক্তি সহায়তায় Freelancer Zone