ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা -১৯-আসনের সংসদসদস্যের নির্দেশনায় এইচ বিবি করন রাস্তা সংস্কার কাজ নির্মাণ শুরু করলেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের ভবিষ্যৎ কান্ডারী দেওয়ান রাজু আহমেদ সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত” সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৬৫ তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান হাজী মোঃ মোশাররফ খান একজন পরিশ্রমী জনবান্ধব ইউপি সচিব শরীফুজ্জামান বিপুল ভোটে ঢাকা ১৯ এর সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাভারের আশুলিয়ায় নির্বাচন বন্ধে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ সাভারে নির্বাচনের হালচাল সাভারে ইউসুফ আলী চুন্নুর নেতৃত্বে ঈগল মার্কার পক্ষে নির্বাচনী গনসংযোগ জনসমুদ্রে পরিনত

সাপাহারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
sandhanitv অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোরশেদ মন্ডল, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রহিমুদ্দীন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহম্মেদ (বুলু) নিজের খুশিমতো স্কুলের আর্থিক লেনদেন হিসাব নিকাশ নিজের মনমত পরিচালনা করে আসছে। সভাপতিকে কিছু না জানিয়েই নিজের খেয়াল মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এবিষয়ে সভাপতি আ. রহিম প্রধান শিক্ষকের কাছে এসবের কারন জানতে চাইলে তিনি জবাব দিতে নারাজ বলে জানিয়ে দেন।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রহিমুদ্দীন সাংবাদিকদের আরো জানান, ওই ধুরন্ধর প্রকৃতির প্রধান শিক্ষক বুলু বেশ কিছুদিন আগে প্রায় ২০ মণ পুরনো বই বিক্রয় করে দেন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০/৩২ হাজার টাকা। যার হিসেব দেননি ওই প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও স্কুল প্রাঙ্গনে লাগানো আম গাছের আম বিক্রি করে দেয়। যা শিক্ষার্থীদের পর্যন্ত খেতে দেয় না। সরকারী স্লিপের টাকা নিজ মনমতো খরচ করেন যা ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানান না তিনি। নিজের মনমতোই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন ওই প্রধান শিক্ষক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহম্মেদ বুলুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ” আমি সব কিছু সরকারি নিয়ম মোতাবেক পরিচালনা করি। রহিমকে সভাপতি থেকে বাদ দেওয়ার কথা বললে সে আমার নামে প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। ” আম এবং পুরনো বই বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন ” গত বছর ৫ ক্যারেট আম বিক্রি করেছি যা রেজিস্ট্রারে উঠানো হয়েছে। আমি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাগজ বিক্রি করেছি মাত্র ২৭ কেজি।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ” সহকারী শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন ” এধরণের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আমি নিজেই স্কুল ভিজিটে যাবো।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাপাহারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

 

মোরশেদ মন্ডল, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রহিমুদ্দীন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহম্মেদ (বুলু) নিজের খুশিমতো স্কুলের আর্থিক লেনদেন হিসাব নিকাশ নিজের মনমত পরিচালনা করে আসছে। সভাপতিকে কিছু না জানিয়েই নিজের খেয়াল মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এবিষয়ে সভাপতি আ. রহিম প্রধান শিক্ষকের কাছে এসবের কারন জানতে চাইলে তিনি জবাব দিতে নারাজ বলে জানিয়ে দেন।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রহিমুদ্দীন সাংবাদিকদের আরো জানান, ওই ধুরন্ধর প্রকৃতির প্রধান শিক্ষক বুলু বেশ কিছুদিন আগে প্রায় ২০ মণ পুরনো বই বিক্রয় করে দেন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০/৩২ হাজার টাকা। যার হিসেব দেননি ওই প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও স্কুল প্রাঙ্গনে লাগানো আম গাছের আম বিক্রি করে দেয়। যা শিক্ষার্থীদের পর্যন্ত খেতে দেয় না। সরকারী স্লিপের টাকা নিজ মনমতো খরচ করেন যা ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানান না তিনি। নিজের মনমতোই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন ওই প্রধান শিক্ষক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হোসাইন আহম্মেদ বুলুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ” আমি সব কিছু সরকারি নিয়ম মোতাবেক পরিচালনা করি। রহিমকে সভাপতি থেকে বাদ দেওয়ার কথা বললে সে আমার নামে প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। ” আম এবং পুরনো বই বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন ” গত বছর ৫ ক্যারেট আম বিক্রি করেছি যা রেজিস্ট্রারে উঠানো হয়েছে। আমি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাগজ বিক্রি করেছি মাত্র ২৭ কেজি।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ” সহকারী শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন ” এধরণের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আমি নিজেই স্কুল ভিজিটে যাবো।”