ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়া থানা যুবলীগের ভবিষ্যৎ কান্ডারী দেওয়ান রাজু আহমেদ সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত” সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৬৫ তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান হাজী মোঃ মোশাররফ খান একজন পরিশ্রমী জনবান্ধব ইউপি সচিব শরীফুজ্জামান বিপুল ভোটে ঢাকা ১৯ এর সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাভারের আশুলিয়ায় নির্বাচন বন্ধে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ সাভারে নির্বাচনের হালচাল সাভারে ইউসুফ আলী চুন্নুর নেতৃত্বে ঈগল মার্কার পক্ষে নির্বাচনী গনসংযোগ জনসমুদ্রে পরিনত সাভারে ঈগল মার্কার সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারণায় ইউসুফ আলী চুন্নু

দশ বছর পর মুখ খুললেন মুরাদ জং

মোঃ সাগর হোসেনঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
sandhanitv অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দশ বছর পর মুখ খুললেন মুরাদ জং।
দশ বছর চুপ ছিলাম আজকে কথা বলা শুরু করলাম। আমি কি রোহিঙ্গা? আমি এখানে ভাইসা আসিনাই আমার বাড়ি আশুলিয়া আমি লাল মাটির সন্তান। আগামী ৭ তারিখে আমরা রেডি আছি তোমরা আইয়োও। দীর্ঘ ১০ বছর পর সাভারে এসে নিজ নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ভোধন শেষে এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ।

এসময় তিনি বলেন, আমার বাবা দুইবার এই এলাকায় নৌকা প্রতীকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার নেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ভালোবেসে তিনবার নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন এবং ২০০৮ সালে দেশের সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে আপনারা আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছিলেন। আমি কখনো ভাবিনাই আমাকে এভাবে এখানে আসতে হবে। আমি ভেবেছিলাম আমি নৌকা নিয়েই আবার আসবো। আমি দশ বছর কোন কথা বলিনাই। দশ বছর প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন ভাই তুই চুপ, তুই কোন কথা বলিসনা আমি তোরটা দেখবো।

তিনি বলেন, আপা বলেছেন আমি চুপ থেকেছি আজকে ২০২৩ আমার বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বলেছে ‘আসো কে জনপ্রিয় প্রমান করো’ তাইতো আমি এসেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতদিন চুপ থাকতে বলেছিলেন এবার বললেন মুখ খুলো তাইতো মুখ খুললাম। আমিতো নৌকাই আছি খালি মার্কাটা ভিন্ন সেটা হইলো ঈগল। এই ঈগলও শেখ হাসিনার মার্কা আপনারা যদি এই মার্কাটাকে জিতায়া দেন তাইলে ফুলের মালাটা নিয়া তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গলাতেই পরামু।

তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কিছু প্রশ্ন করতে চাই, রানা প্লাজা কি আমি ফালাইছি? রানা প্লাজা কি আমি বানাইছি? ওইটার মালিক কি আমি? ওইখানে আমার কি কোন ব্যবসা ছিলো? ওই মার্কেটটা কি আমার শাসন আমলে বানানো হয়েছিলো? তাহলে কেন আমাকে দোষারোপ করা হইলো? আমি মানুষ না? আমার কস্ট লাগেনা? আমার জন্য মায়া লাগেনা আপনাদের? আমি এখানে ভাইসা নাই আমি কি রোহিঙ্গা? আমার বাড়ি আশুলিয়া আমি লাল মাটির সন্তান, আমি আপনাদের সন্তান। আমার ইজ্জত মানে আপনাদের ইজ্জত। আপনারা বুকে হাত দিয়া কন আমি যখন এমপি ছিলাম তখন কোনদিন কি আপনাদের অসম্মান করছি? কেও কোন কাযে আসলে তার সাথে কি খারাপ ব্যবহার করছি? আমার পক্ষে যতটুকু করার করেছি। তাই আমি আজকে দাবি নিয়ে বলতেছি আপনারা দয়া কইরা আমার নির্বাচনটা কইরা দেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন পর মুরাদ জংয়ের সাভারে আসার বিষয়টি জানতে পেরে সকাল থেকে সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা তাঁকে বরন করার উদ্দেশ্য তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয় এলাকায় জরো হতে থাকেন। তাঁরা মোটর শোভাযাত্রা, পিক আপ, ট্রাকে করে ওই বাসভবনের দিকে রওনা হন। অনেক নেতা-কর্মী মহাসড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে যান। এসময় সাভারের বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কে নেতা-কর্মীদের অবস্থানের কারণে বিভিন্নস্থানে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত যানবাহনগুলোকে আটকে থাকে। এতে ভোগান্তি পরেন মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশ নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে সড়কের পাশে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দশ বছর পর মুখ খুললেন মুরাদ জং

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

দশ বছর পর মুখ খুললেন মুরাদ জং।
দশ বছর চুপ ছিলাম আজকে কথা বলা শুরু করলাম। আমি কি রোহিঙ্গা? আমি এখানে ভাইসা আসিনাই আমার বাড়ি আশুলিয়া আমি লাল মাটির সন্তান। আগামী ৭ তারিখে আমরা রেডি আছি তোমরা আইয়োও। দীর্ঘ ১০ বছর পর সাভারে এসে নিজ নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ভোধন শেষে এভাবেই কথা গুলো বলছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ।

এসময় তিনি বলেন, আমার বাবা দুইবার এই এলাকায় নৌকা প্রতীকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার নেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ভালোবেসে তিনবার নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন এবং ২০০৮ সালে দেশের সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে আপনারা আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছিলেন। আমি কখনো ভাবিনাই আমাকে এভাবে এখানে আসতে হবে। আমি ভেবেছিলাম আমি নৌকা নিয়েই আবার আসবো। আমি দশ বছর কোন কথা বলিনাই। দশ বছর প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন ভাই তুই চুপ, তুই কোন কথা বলিসনা আমি তোরটা দেখবো।

তিনি বলেন, আপা বলেছেন আমি চুপ থেকেছি আজকে ২০২৩ আমার বোন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বলেছে ‘আসো কে জনপ্রিয় প্রমান করো’ তাইতো আমি এসেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতদিন চুপ থাকতে বলেছিলেন এবার বললেন মুখ খুলো তাইতো মুখ খুললাম। আমিতো নৌকাই আছি খালি মার্কাটা ভিন্ন সেটা হইলো ঈগল। এই ঈগলও শেখ হাসিনার মার্কা আপনারা যদি এই মার্কাটাকে জিতায়া দেন তাইলে ফুলের মালাটা নিয়া তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গলাতেই পরামু।

তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কিছু প্রশ্ন করতে চাই, রানা প্লাজা কি আমি ফালাইছি? রানা প্লাজা কি আমি বানাইছি? ওইটার মালিক কি আমি? ওইখানে আমার কি কোন ব্যবসা ছিলো? ওই মার্কেটটা কি আমার শাসন আমলে বানানো হয়েছিলো? তাহলে কেন আমাকে দোষারোপ করা হইলো? আমি মানুষ না? আমার কস্ট লাগেনা? আমার জন্য মায়া লাগেনা আপনাদের? আমি এখানে ভাইসা নাই আমি কি রোহিঙ্গা? আমার বাড়ি আশুলিয়া আমি লাল মাটির সন্তান, আমি আপনাদের সন্তান। আমার ইজ্জত মানে আপনাদের ইজ্জত। আপনারা বুকে হাত দিয়া কন আমি যখন এমপি ছিলাম তখন কোনদিন কি আপনাদের অসম্মান করছি? কেও কোন কাযে আসলে তার সাথে কি খারাপ ব্যবহার করছি? আমার পক্ষে যতটুকু করার করেছি। তাই আমি আজকে দাবি নিয়ে বলতেছি আপনারা দয়া কইরা আমার নির্বাচনটা কইরা দেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন পর মুরাদ জংয়ের সাভারে আসার বিষয়টি জানতে পেরে সকাল থেকে সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা তাঁকে বরন করার উদ্দেশ্য তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয় এলাকায় জরো হতে থাকেন। তাঁরা মোটর শোভাযাত্রা, পিক আপ, ট্রাকে করে ওই বাসভবনের দিকে রওনা হন। অনেক নেতা-কর্মী মহাসড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে যান। এসময় সাভারের বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কে নেতা-কর্মীদের অবস্থানের কারণে বিভিন্নস্থানে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত যানবাহনগুলোকে আটকে থাকে। এতে ভোগান্তি পরেন মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশ নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে সড়কের পাশে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন।